Saturday, June 16, 2018

মানুষের ব্রেইন যদি রোবটকে দিয়ে দেওয়া হয় ! তাহলে আর বাকি থাকলো কি? যখন মানুষ স্পষ্ট ভাবে জানে এটা মানুষের জন্য ক্ষতির কারণ হবে!!





আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্ট এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম যেখানে মানুষের বুদ্ধিমত্তা ও চিন্তা শক্তিকে কম্পিউটার দ্বারা অনুকরণ করার চেষ্টা করে থাকে। তার মানে হলো কম্পিউটার সেলফ ডিসিশন নেয়ার ক্ষমতা অর্জন করবে।আমরা যদি এটাকে ভার্চুয়াল হিউম্যান বলি তাহলে এটা ভুল হবে না আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্ট ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্টস নামের প্রোগ্রাম গুলো আমরা প্রতিনিয়তই ব্যবহার করে থাকি। যেমন ধরুন আপেল ব্যবহার করে থাকে সিঁড়ি এপ্লিকেশন,মাইক্রোসফট ব্যবহার করে কর্টানা, গুগল ব্যবহার করে থাকে গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট ইত্যাদি।
বিজ্ঞানীরা প্রতিনিয়তই মানুষের ব্রেইনের কার্বন কপি রোবট এর মধ্যে ইন্টিগ্রেটেড করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।  আপনারা অনেকে  Avenger এইজ অফ আল্ট্রন মুভি টি দখেছেন, সেখানে আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্ট  এই সম্পর্কে ধারণা দেয়া হয়েছে।

আমাদের মস্তিষ্কটি নির্দিষ্ট আকারের এবং মস্তিষ্কে কার্টেক্সের সীমিত পরিমাণ এবং সাপোর্টিং মেটেরিয়াল যা আমাদের মনে রাখতে ও মনে করার ক্ষমতা প্রদান করে। কিন্তু কম্পিউটার বুদ্ধির কোন সীমাবদ্ধতা নাই।
এখন প্রশ্ন হল, কেন মানুষ এমন ইন্টেলিজেন্ট বা শক্তিশালী ডিভাইস তৈরি করতে চায়, যখন মানুষ স্পষ্ট  ভাবে জানে  এটা মানুষ জাতির জন্য ক্ষতির কারণ হবে, এর উত্তর হলো বিশ্বের যত টেকনোলজিক্যাল কোম্পানি অথবা  অতিরক্ষা বাহিনী  গুলো আছে তারা যেন একজন আরেকজনের সাথে কম্পিটিশন টিকে থাকতে পারে।অনুমান করা হয় যে আগামী ২5 বছরে আমরা এমন বুদ্ধিমান কম্পিউটার দেখবো,যা মানুষের বুদ্ধিমত্তাকে ছাড়িয়ে যাবে। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্ট কে ৩ পার্ট এ ভাগ করা হয়েছে
  • 1। WEAK AI  অথবা ARTIFICIAL NARROW INTELLIGENT
  • 2।  STRONG AI  অথবা ARTIFICIAL GENERAL INTELLIGENT
  • 3।SINGULARITY AI অথবা ARTIFICIAL SUPER INTELLIGENT

WEAK AI









WEAK AI,
অথবা আর্টিফিশিয়াল ন্যারো ইন্টেলিজেন্ট এটি একটি এমন এক টেকনোলজি যে কিনা একটা স্পেসিফিক কাজe ফোকাস করতে পারে  যেমন ধরুন  আপনার কম্পিউটার এর  মধ্যে একটি সফটওয়্যার কে  যে  কাজের জন্য ডিজাইন করা হইছে সেই কাজ ছাড়া অন্য কোনো কাজ করব না। একটি উদাহরণ দেওয়া যাক, যেমন ধরুন  আপনার কম্পিউটার দাবা  খেলা তে এক্সপার্ট  সে  আপনাকে দাবা খেলতে হারাতে  পারবে কিন্তু অন্য কোনো কাজ করতে পারবে না. আবার ধরুন এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল আর কথা সেখানে যে সিস্টেম লাগানো আছে সেটা এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট জন্য খুব ভালো ভাবে কাজ করতে পারবে কিন্তু অন্য কোনো কাজ করতে পারবে না।

STRONG AI


STRONG AI অথবা আর্টিফিশিয়াল জেনারেল ইন্টিলিজেন্ট  এমন একটা টেকনোলজি যেটা একজন হিউম্যান মত করে চিন্তা করতে পারে এবং নিজেই নিজের ডিসিশন 100 PERCENT ACCURATELY নিতে পারে,এই স্টেজ এ মেশিনের ইন্টেলিজেন্ট হিউম্যান ইন্টেলিজেন্ট সমান হয়ে যায়. যেমন ধরুন একজন মানুষ যে ভাবে একটি রোবট তৈরি করলো ঠিক সে ভাবে একটি রোবট আরেকটি রোবট তৈরি করতে পারবে.  আর এটি আপনি দেখতে পারবেন 20৫০  সালের মধ্যে।

SINGULARITY AI



সিঙ্গুলারিটি AI  অথবা আর্টিফিশিয়াল সুপার ইন্টিলিজেন্ট এই প্রযুক্তি টি মেশিন কে এমন একটা স্টেজে নিয়ে যাবে  যেকানে হিউমান ইন্টিলিজেন্ট কে ভুল প্রমান করে দিবে।যখন একটি মেশিন এই লেভেল এ পৌছাবে তার মানে মেশিন এর  ইন্টিলিজেন্ট হিউমান ইন্টিলিজেন্ট এর সমান হবে তখন মানুষ থেকে মেশিন এর বুদ্ধি খুব দ্রুত বাড়তে থাকবে তার  কারণ হল একটি মেশিন কোনো ভুল ছাড়া খুব দ্রুত  কাজ করতে পারবে। সাধারণত একজন মানুষের অনেক সময় নিয়ে কাজ করতে হয় এবং অনেক ভুল ও করে  থাকে। আর এই দুর্বলতার এর ফলে একটি মেশিন  মানুষ এর  থেকে অনেক এগিয়ে চলে যাবে।
এখন আমাদের মনে প্ৰশ্ন আসতে পারে যে একটি মেশিন যখন সিঙ্গুলারিটি এই লেভেল এ পৌছাবে তখন তারা মানুষের কথা মানবে কিনা?



আমি প্রথমে বলেছিলাম  এই মেশিন নিজ থাকে ডিসিশন নিতে পারবে। সেহেতু যদি মেনে চলে তাহলে ওয়ার্ড এ রাভ্যুলেশন ঘটবে আর যদি না মেনে চলে তাহলে মানুষ জাতি কে ধ্বংস করে দিতে পারে।
এখন আমরা বলতে পারি যদি আমাদের কথা না মেনে  চলে তাহলে এই ইন্টেলিজেন্ট রোবোটস গুলোর  মধ্যে কোডিং এর মাধ্যমে কন্ট্রোল করবো।কিন্তু অবাক হলেও সত্যি! তখন এই কন্ডিশন ভুল প্রমাণিত হবে। যেমন ধরুন আমরা মানুষ হয়েও আরেকজন মানুষকে সঠিক ভাবে বিচার করতে পারি না, রোবটের ক্ষেত্রেও  কোনো পরিবর্তন ঘটবে না. আবার  যদি এমন কোনো রুল মানে  চলে,যেমন ধরুন একটি রোবট মানবতার কারণে কোনো মানুষ কে  কোনো ক্ষতি করবে না।আর এই প্রযুক্তি কে আমরা বলবো আর্টিফিশিয়াল ইমোশনাল ইন্টিলিজেন্ট।
একটা সময় সিলো যখন আমরা  ক্যালকুলেটর, ভিডিও গেম আই পোড এর মধ্যে সীমাবদ্ধ সিলাম। আর বর্তমান সময়ে সাইন্স টেকনোলজি দ্রুত পরিবর্তনের ফলে আমরা ব্যবহার করছি সেলফ ড্রাইভিং কার। একদিন এমন সময় আসবে যখন রোবট এর ইন্টেলিজেন্স এর কাছে  মানুষ হরে যাবে। আর সেই সময় খুব দূরে নয়।

ভিডিওটি সরাসরি  দেখতে এখানে ক্লিক করুন-


ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক, টিউমেন্ট, শেয়ার করবেন। আমি যতটুকু জানি, ততটুকু শেয়ার করার চেষ্টা করলাম। আগামী টিউটোরিয়াল দেখতে চোখ রাখুন itbanglanews

Video Credit-Techmagazine.com.bd